Home সিনে দুনিয়া প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সোহেল আরমানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ…
প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সোহেল আরমানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ…

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি সোহেল আরমানের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ…

0
0

স্টাফ রিপোর্টার- চলচ্চিত্রের জীবন্ত কিংবদন্তী আমজাদ হোসেনের যাবতীয় চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সকালেই প্রধানমন্ত্রী আমজাদ হোসেনের দুই ছেলে সাজ্জাদ হোসেন দোদুল, সোহেল আরমান ও নির্মাতা এস এ হক অলিককে ডেকে নিয়ে আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার সব দায়িত্ব নেন। আর এ কারণে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে কিছুক্ষণ আগে আমজাদ হোসেনের সন্তান নির্মাতা ও অভিনেতা সোহেল আরমান ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে লিখেছেন ,‘ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আজ তার কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে বাবার অবস্থা সম্পর্কে জানলেন। দায়িত্ব নিলেন। আমাদের পাশে আছেন বললেন। সত্যি কান্নার আবেগ ধরে রাখতে পারিনি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সত্যি আপনি অসাধারণ। আপনার তুলনা আপনি। আপনার দীর্ঘায়ূ কামনা করি।’ উল্লেখ্য, গত রোববার সকালে বাসায় আমজাদ হোসেনের স্ট্রোক হয়। এরপর তাকে দ্রুত রাজধানীর তেজগাঁওয়ের ইমপালস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি চিকিৎসক শহীদুল্লাহ সবুজের তত্ত্বাবধানে আছেন। গতকাল মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করার পর চিকিৎসকরা জানান, তার শারীরিক অবস্থার ক্রমশ অবনতি হয়েছে। আমজাদ হোসেনকে হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে। তিনি এখন লাইফ সাপোর্টে আছেন। ১৯৪২ সালের ১৪ই আগষ্ট জামালপুরে জন্মগ্রহণ করেন আমজাদ হোসেন। ৭৬ বছর বয়সী এই গুণীজন সব্যসাচী এক চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব। চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, গল্পকার, অভিনেতা, গীতিকার ও সাহিত্যিক হিসেবে সফলতা পেয়েছেন তিনি। আমজাদ হোসেন ১৯৬১ সালে ‘হারানো দিন’ ছবিতে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে আসেন। পরে তিনি চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনায় মনোনিবেশ করেন। তার পরিচালিত প্রথম ছবি ‘আগুন নিয়ে খেলা’ (১৯৬৭)। পরে তিনি ‘নয়নমনি’ (১৯৭৬), ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ (১৯৭৮), ‘ভাত দে’ (১৯৮৪) ছবিগুলো দিয়ে প্রশংসিত হন। ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’ ও ‘ভাত দে’ চলচ্চিত্রের জন্য তিনি শ্রেষ্ঠ পরিচালক হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন। শিল্পকলায় অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক (১৯৯৩) ও স্বাধীনতা পুরস্কারেও ভূষিত করে।