Home সিনে দুনিয়া জুয়েল আইচ ও মৌসুমীর কাছ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করলেন গণমাধ্যম কর্মীরা
জুয়েল আইচ ও মৌসুমীর কাছ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করলেন গণমাধ্যম কর্মীরা

জুয়েল আইচ ও মৌসুমীর কাছ থেকে সম্মাননা গ্রহণ করলেন গণমাধ্যম কর্মীরা

0
0

অভি মঈনুদ্দীন– বিশ্ব শিশু দিবস উদযাপনের অংশ হিসেবে হাজার হাজার শিশুর অংশগ্রহণে ইউনিসেফ বাংলাদেশ বেশ কিছু কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে। গত মঙ্গলবার বিকেলে মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০১৮ অনুষ্ঠানে ৫০ জন গণমাধ্যম কর্মীকে সম্মাননা দিয়েছে ইউনিসেফ। মুদ্রিত, ইলেকট্রনিক ও অনলাইন প্ল্যাটফরমে সৃজনশীল গণমাধ্যম ও সাংবাদিকতায় শ্রেষ্ঠত্ব উদযাপনের জন্য মীনা মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড চালু করা হয়। এই অ্যাওয়ার্ডের জন্য গত বছর যেখানে মোট ৭০০ জন অংশগ্রহনকারী ছিলো তা এ বছর বেড়ে ৮৫০ জনে পৌঁছে। সেখান থেকে ১৪টি ক্যাটাগরিতে মোট ৮৫ জনকে এবার বিজয়ী হিসেবে বেছে নেয়া হয়। বর্ণিল সাংস্কৃতিক আয়োজন ও জনপ্রিয় ব্যা- দল ওয়ারফেইজের পরিবেশনার মধ্যদিয়ে গানের সুরে সুরে মীনা অ্যাওয়ার্ড গ্রহণ করে গণমাধ্যম কর্মীরা। বিশ্বনন্দিত জাদুশিল্পী জুয়েল আইচ ও বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের প্রিয়দর্শিনী আরিফা পারভীন জামান মৌসুমীর কাছ থেকে গণমাধ্যম কর্মীরা এই সম্মাননা গ্রহণ করেন। রাজধানীর কারওয়ান বাজারের প্যানপ্যাসিফিক সোনারগাঁও  হোটেলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইউনিসেফ বাংলাদেশ আরো অনেক কিছুর পাশাপাশি শিশুদের জন্য নীল কনসার্ট এবং জাতীয় ক্রিকেট তারকা ও সুবিধা বঞ্চিত শিশুদের মধ্যে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ ক্রিকেট ম্যাচের আয়োজন করে। ইউনিসেফ বাংলাদেশের শুভেচ্ছাদূত মৌসুমী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা প্রসঙ্গে বলেন,‘ মীনা কার্টুনের প্রতিটি চরিত্রই অনেক আদর্শ বহন করে। বাচ্চারা খুউব সহজভাবে গ্রহণ করতে পারে। আমার পরামর্শ থাকবে আরো নতুন কিছু আকর্ষনীয় চরিত্র আসতে পারে যাতে বাচ্চারা এই কার্টুন দেখতে আরো আগ্রহী হয়ে উঠে। আজ গণমাধ্যম কর্মীদের অনুপ্রেরণা দেবার জন্য যে সম্মাননা দেয়া হলো তা নিঃসন্দেহে অনেক প্রশংসনীয়। আমার বিশ্বাস এটাও একদিন অনেক বড় প্লাটফরম হবে। যারা সম্মানিত হয়েছেন তাদেরকে আমার পক্ষ থেকে অনেক অনেক অভিনন্দন, শুভেচ্ছা।’

জুয়েল আইচ বলেন,‘ গণমাধ্যম কর্মীদের জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা এবং ফুলেল শুভেচ্ছা। আমার বিশ্বাস ভবিষ্যতেও তারা তাদের পেশাগত কাজে আরো অনেক বেশি সচেতন হয়ে অনেক ভালো কাজ করবে। ইউনিসেফ বাংলাদেশ’র গণমাধ্যম কর্মীদের মধ্যে সম্মাননা প্রদানের বিষয়টি নিঃসন্দেহে অনেক প্রশংসনীয়। কারণ সংবাদ কর্মীদের উৎসাৎ দিলে তারা তাদের পেশাগত কাজে আরো অনেক বেশি সচেতন হন। আমার বিশ্বাস এই সম্মাননাও তাদের ক্ষেত্রে তেমনই উৎসাহ যোগাবে।’ অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এডুয়ার্ড বেগবেদার বলেন,‘ আমি আশা করবো শিশুদের সমস্যাগুলো তুলে ধরার পাশাপাশি শিশুদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের গতিশীল গণমাধ্যমও শিশুদের জন্য এই বৈশ্বিক কর্মকাণ্ডে যোগ দেবে।’ উল্লেখ্য অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে ক্রেস্ট, পুরস্কারের অর্থ এবং সনদ তুলে দেয়া হয়।
ছবি- মোহসীন আহমেদ কাওছার